গার্মেন্টস ব্যবসা করার নিয়ম ২০২২

আপনি কি জানতে চান গার্মেন্ট ব্যবসা করার নিয়ম সম্পর্কে ? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য ।

গার্মেন্টস ব্যবসা এটা বর্তমানে অনেক লাভজনক ব্যবসা। বাংলাদেশে এই ব্যবসাটি সবচেয়ে সফলতম একটি ব্যবসা।

পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ এতটাই এগিয়ে গিয়েছে যে , নিজের দেশের চাহিদা পূরণ করে বাহিরের দেশের চাহিদা পূরণ করছে ও অনেক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে ।

প্রতি বছর বাংলাদেশে এই পোশাক শিল্প থেকে বাহিরের দেশগুলো থেকে প্রায় ৮৫ শতাংশ আয় আসে।

তাহলে বুঝতেই পারছেন গার্মেন্টস ব্যবসা বাংলাদেশে কতটা সফল। এই ব্যবসা করে আপনিও সফলতার উচ্চশিক্ষরে পৌঁছতে পারবেন এবং খুব সহজেই অনেক লাভবান হতে পারবেন।

এজন্য অবশ্যই আপনাকে ব্যবসা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো ও নিয়ম জানতে হবে এবং পরিশ্রম করতে হবে তাহলে সফলতা আপনার কাছে অবশ্যই ধরা দিবে।

তাই আজ আমি গার্মেন্টস ব্যবসা করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে তথ্য দিব পাশাপাশি খুঁটিনাটি ও নানান বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

যাতে করে অল্প সময়ের ভিতরে আপনি গার্মেন্টস ব্যবসায় সফলতা লাভ করতে পারেন এবং প্রচুর লাভবান হতে পারেন।

এজন্য অবশ্যই আপনাকে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে ‌। চলুন আলোচনা শুরু করা যাক।

গার্মেন্টস ব্যবসা করার নিয়ম

Table of Contents

গার্মেন্টস ব্যবসা করার নিয়ম ২০২২

ব্যবসা শুরু করার জন্য সর্বপ্রথম যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করতে হবে সে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

মার্কেট নিয়ে গবেষণা

এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায় সফল হওয়ার ক্ষেত্রে। পোশাক এটি ব্যাপক শব্দ। পোশাক বলতে আমরা বুঝি টি শার্ট , প্যান্ট , থ্রি পিস ইত্যাদিকে।

আপনি তো একসাথে সবগুলো ব্যবসা করতে পারবেন না । তাই  সর্বপ্রথম আপনাকে গবেষণা করে বের করতে হবে কোন ধরনের পোশাক আপনি তৈরি করবেন।

এজন্য আপনাকে লক্ষ্য করতে হবে গ্রাহকদের চাহিদা কোন ধরনের পোশাকের উপর বেশি এবং তারা কোন ধরনের পোশাক পড়তে পছন্দ করে । এ ব্যাপারে অবশ্যই আপনাকে যাচাই-বাছাই করতে হবে।

আর আপনি যদি বাইরের দেশে পোশাক বিক্রি করতে চান তাহলে লক্ষ্য করতে হবে বাইরের দেশে কোন ধরনের পোশাক বেশি চলে।

এরপর আপনি তাদের চাহিদা মোতাবেক একটি পোশাক বা দুইটি পোশাক নির্বাচন করবেন।

প্রতিযোগীদেরকে চিহ্নিত করা

চাহিদা পূর্ণ পোশাক নির্বাচন করার পর আপনাকে লক্ষ্য করতে হবে যে আপনার প্রতিযোগী কারা।

  • তারা কিভাবে ব্যবসা করছে।
  • তারা সফল হওয়ার জন্য কি কি পন্থা অবলম্বন করছে।
  • তারা উন্নত মানের পোশাক তৈরি করার জন্য কি পন্থা অবলম্বন করেছে।

এরকম নানান বিষয় আপনাকে লক্ষ্য করতে হবে। এরপর আপনি চেষ্টা করবেন তাদের থেকে আরও উন্নত করার। তাহলে আরো খুব দ্রুত সফল হতে পারবেন।

গার্মেন্টস ব্যবসা করতে কত টাকা লাগে ?

একটি ব্যবসার জন্য পুঁজি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পুঁজি ছাড়া ব্যবসায় সফল হওয়া যায় না। এজন্য অবশ্যই আপনাকে পুজির ব্যবস্থা করতে হবে।

যদি আপনি বড় ধরনের ব্যবসা করতে চান তাহলে আপনার পুজি অনেক লাগবে। যেমন : ২০০ কোটি থেকে ৫০০ কোটি টাকা।

আর যদি আপনি অল্প পরিসরে এই ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে আপনার পুজি কম লাগবে। অর্থাৎ ছোট পরিসরে এক থেকে দুই কোটি টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

যদি আপনার কাছে পুজি কম থাকে তাহলে বিভিন্ন পার্টনার খুঁজতে পারেন যারা পুঁজি দিয়ে আপনাকে সাহায্য করবে। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন।

তৈরিকৃত পোশাক বিক্রি করলে আপনি খুব অল্প পুঁজি দিয়ে ব্যবসা করতে পারবেন। ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

গার্মেন্টস ব্যবসা দুইভাবে করা যায়

১. সরাসরি গার্মেন্টস দিয়ে । এখানে আপনার পুঁজি অনেক বেশি লাগবে। কারণ আপনাকে বিভিন্ন মেশিনারি কিনতে হবে , কাঁচামাল কিনতে হবে আর নানান বিষয়।

২. তৈরিকৃত পোশাক বিক্রি । আপনি বিভিন্ন গার্মেন্টস থেকে অল্প মূল্যে পোশাক ক্রয় করে তা নানান ধরনের প্রসেসিং করে বিক্রি করতে পারবেন।

এভাবে ব্যবসা করলে আপনি খুব অল্প পুঁজি দিয়ে ব্যবসা করতে পারবেন। ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

তবে গার্মেন্টস দিয়ে ব্যবসা করার মতো এত লাভবান হতে পারবেন না।

কিভাবে শুরু করবেন এ ব্যাপারে গার্মেন্টস ব্যবসা করার নিয়ম

স্থান নির্বাচন

চমৎকার এবং ভালো একটি স্থান নির্বাচন করুন। যাতে করে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো হয়। পাশাপাশি গ্রাহকদের দৃষ্টিতে পরে।

মোট কথা এমন একটি স্থান নির্বাচন করুন যেখান থেকে ব্যবসা পরিচালনা করতে খুবই সহজ হয়।

পরিকল্পনা করুন

আপনাকে ব্যবসা শুরু করার আগেই পরিপূর্ণভাবে পরিকল্পনা করতে হবে। কেননা পরিকল্পনা ছাড়া কোনভাবেই ব্যবসা সফল হওয়া যায় না।

এজন্য আপনাকে ব্যবসার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা করতে হবে।

মিশিনারি সংগ্রহ

পোশাক তৈরি করার জন্য অবশ্যই আপনাকে নানান ধরনের মেশিন প্রয়োজন পড়বে। এই মেশিনগুলো অবশ্যই আপনাকে সংগ্রহ করতে হবে।

যারা অভিজ্ঞ তাদের পরামর্শ নিয়ে মেশিনগুলো সংগ্রহ করবেন।

কাঁচামাল সংগ্রহ

পোশাক তৈরি করার জন্য কাঁচামাল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে আপনাকে প্রথম থেকেই চিন্তা করতে হবে যে,  কিভাবে বা কোথায় থেকে আপনি কাঁচামাল সংগ্রহ করবেন।

শ্রমিক সংগ্রহ

পোশাক তৈরি করার জন্য মেশিন এর পাশাপাশি অবশ্যই আপনাকে শ্রমিক সংগ্রহ করতে হবে।

শ্রমিক সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই যারা অভিজ্ঞত তাদেরকে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। তাহলে আপনার পোশাকের মান ভালো হবে।

কোম্পানির নাম নির্বাচন করা 

অবশ্যই চমৎকার ও আকর্ষণীয় একটি নাম রাখবেন। যাতে করে নাম শুনে সকলেই মনে রাখতে পারে। নাম রাখার ক্ষেত্রে নিচে আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।

আরো পড়ুন : অনলাইন ব্যবসার নাম রাখুন খুব সহজেই | বিজনেস পেজের নামের তালিকা

লাইসেন্স তৈরি

আপনি নতুন একটি কোম্পানি দিচ্ছেন এজন্য অবশ্যই আপনাকে এই কোম্পানির লাইসেন্স করতে হবে। অন্যথায় নানান ধরনের সমস্যায় পড়বেন।

লাইসেন্স করার আগে অবশ্যই আপনাকে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন করার জন্য যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্ম সমূহের অধিদপ্তর বরাবর আবেদন করতে হবে।

সমস্ত কাগজপত্র ঠিক থাকলে ৭ থেকে ৮ দিনের মধ্যে আপনি নিবন্ধন পেয়ে যাবেন। যখন আপনি নিবন্ধন পেয়ে যাবেন তখন আপনি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবেন।

আশা করি খুব সহজেই আপনি লাইসেন্স পেয়ে যাবেন।

গার্মেন্টস ব্যবসা করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগবে ?

গার্মেন্টস ব্যবসা শুরু করার জন্য অনেক ডকুমেন্ট সংগ্রহে রাখতে হয়। এ সমস্ত কাগজ পাতি সংগ্রহে রাখলে কোন ধরনের সমস্যায় সম্মুখীন হবেন না।

  1. ট্রেড লাইসেন্স
  2. ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট
  3. সার্টিফিকেট অব ইন কর্পোরেশন
  4. ফায়ার লাইসেন্স
  5. বন্ড লাইসেন্স
  6. ভ্যাট নিবন্ধন সার্টিফিকেট
  7. চেম্বার অব কমার্সের সদস্য পদ
  8. কারখানার লে আউট পরিকল্পনার অনুমোদন
  9. বিজিএম এর সদস্য পদ
  10. আমদানি নিবন্ধন সার্টিফিকেট
  11. রপ্তানি নিবন্ধন সার্টিফিকেট
  12. পরিবেশ ছাড়পত্র

এই সমস্ত বিষয় অবশ্যই আপনার সংগ্রহে রাখতে হবে। তাহলে খুব সহজেই আপনি বিভিন্ন ধরনের ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন এবং খুব সহজেই এই ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন।

আশা করি আপনি সকল বিষয় বুঝতে পেরেছেন।

গার্মেন্টস ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য কি কি বিষয় লক্ষ্য করতে হবে ?

এ ব্যবসা সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। তাহলে খুব সহজেই আপনি সফলতার উচ্চশিক্ষার পৌঁছতে পারবেন এবং অনেক লাভবান হবেন।

উন্নত মানের পোশাক তৈরি করা

বর্তমানে সবাই উন্নতমানের পোশাক পছন্দ করে। এই কারণে আপনাকে উন্নত মানের পোশাক তৈরি করতে হবে।

বর্তমানে প্রতিযোগী অনেক বেশি। আপনি যদি উন্নত মানের পোশাক তৈরি না করেন তাহলে দেখা যাবে আপনার প্রতিযোগীরা উন্নত মানের পোশাক তৈরি করছে ।

তখন আপনার পোশাক বিক্রি হবে না বরং আপনার প্রতিযোগিদের পোশাক বিক্রি হবে। এভাবে আপনি ব্যবসায় অনেক লসের শিকার হবেন।

তাই অবশ্যই আপনাকে উন্নত মানের  ও মানসম্পন্ন পোশাক তৈরি করতে হবে।

আকর্ষণীয় ডিজাইন

পোশাক তৈরি করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ডিজাইনের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। কেননা গ্রাহকরা আকর্ষণীয় ডিজাইনকৃত পোশাক পছন্দ করে।

তাই অবশ্যই এ ব্যাপারে মনোযোগ দিতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় কয়েকজন পোশাক ডিজাইনার রাখবেন। যারা প্রতিনিয়ত চমৎকার চমৎকার ডিজাইন তৈরি করবে।

গুরুত্ব সহকারে মার্কেটিং করা

একটি ব্যবসায় সফলতার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে মার্কেটিং। যত বেশি মার্কেটিং করা হবে তত তাড়াতাড়ি সফলতা আসবে।

তাই অবশ্যই মাকে নিয়ে গুরুত্ব দিবেন। মার্কেটিং দুই ভাবে করা যেতে পারে।

১. সরাসরি মার্কেটিং

অর্থাৎ সরাসরি মার্কেটিং করা। সরাসরি মার্কেটিং কয়েকবার হতে পারে।

  1. বিভিন্ন কোম্পানির কাছে গিয়ে গিয়ে পণ্য সম্পর্কে আইডিয়া দেওয়া।
  2. বায়িং হাউজের মাধ্যমে পোশাক সম্পর্কে আইডিয়া দেওয়া। আপনার যদি ইচ্ছা থাকে বিদেশে পোশাক বিক্রি করবেন অবশ্যই আপনাকে বায়িং হাউজের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে। কেননা বায়িং হাউজ বিদেশি ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার তৈরিকৃত পোশাকের অর্ডার এনে দিবে।
  3. বড় বড় মেলা ও নানান ধরনের প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করা। যেমন বাণিজ্য মেলা ইত্যাদিতে অংশগ্রহণ করা।

২. অনলাইনে মার্কেটিং

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে কার্যকর একটি পদ্ধতি। অনলাইনের মাধ্যমে সারা বিশ্বে পণ্যকে প্রচার করা সম্ভব। তাই আপনি অনলাইনের মাধ্যমে প্রচার প্রসার করতে পারেন।

অনলাইনের মাধ্যমে কয়েক ভাবে প্রচার করতে পারেন।

১. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে প্রচার প্রসার করতে পারেন। অর্থাৎ আপনার কোম্পানি নিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন।

তারপর সে ওয়েবসাইটটি গুগল বা ইয়াহু ইত্যাদির ফাস্ট পেজের প্রথম পোষ্টে র‍্যাঙ্ক করাতে হবে ।

তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষ আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানতে পারবে। এভাবেই আপনি আপনার পোশাক সম্পর্কে লোকদেরকে জানাতে পারবেন।

২. বড় বড় ডিজিটাল ই-কমার্স ওয়েবসাইটে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে আপনার পণ্যকে প্রদর্শন করাতে পারবেন।

যেমন : amazon , আলিবাবা ইত্যাদি এরকম বড় বড় কোম্পানির মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট গুলো বা পোশাকগুলো সারা বিশ্বে প্রচার প্রসার করতে পারবেন।

মোটকথা অবশ্যই আপনাকে মার্কেটিং এর ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। তাহলে আপনি খুব সহজেই অল্প সময়ে ব্যবসায় সফলতা লাভ করতে পারবেন। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন।

গার্মেন্টস ব্যবসায় সফলতা কেমন ?

যদি আপনার সঠিক উপায় জানা থাকে তাহলে আপনি কখনোই গার্মেন্টস ব্যবসায় অসফল হবেন না।

তাই ব্যবসা শুরু করার আগেই আপনাকে গার্মেন্টস ব্যবসা সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে ধারণা নিতে হবে। যেমন :

  • নিজে যদি পোশাক তৈরি করতে চান তাহলে কাঁচামাল কোথায় পাবেন ,
  • কোথায় ফ্যাক্টরি দিলে ভালো হয় ,
  • পাইকারি বাজার কোথায় ,
  • খুচরা বাজার কোথায় ,
  • কোন ধরনের পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ,
  • পুঁজি কেমন লাগবে

ইত্যাদি এরকম নানান বিষয়ের লক্ষ্য করে তারপর আপনি ব্যবসা শুরু করবেন। আজ হাজার হাজার কোম্পানি গার্মেন্টস ব্যবসায় সফলতা লাভ করছে। তারা পারলে আপনিও পারবেন।

এর জন্য  আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। তাহলে অবশ্যই আপনি সফলতা লাভ করবেন।

পরিশেষে বলবো : উপরে গার্মেন্টস ব্যবসা করার নিয়ম ও নানান বিষয়ে আলোচনা করা হলো। আশা করি আপনি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হয়েছেন।

তাই অবশ্যই আর্টিকেলটি আপনার বন্ধু-বান্ধবদের কাছে শেয়ার করবেন। পাশাপাশি কমেন্ট করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

আরো পড়ুন :

Leave a Comment