অল্প পুজিতে ব্যবসা ১২টি ২০২২

আপনি কি অল্প পুজিতে ব্যবসা সম্পর্কে জানতে চান ? তাহলে এ আর্টিকেলটা আপনার জন্য।

বর্তমান সময়ে ব্যবসা সবাই করতে চায়। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণ মূলধন না থাকার কারণে ব্যবসা করার স্বপ্ন পূরণ করতে সাহস পায়না।

বর্তমান সমাজে এমন একটি পরিস্থিতি দার হয়ে গিয়েছে যে, মানুষভাবে ব্যবসা করতে প্রচুর পরিমাণ পুঁজি লাগে।

পর্যাপ্ত পরিমাণ পুঁজি না হলে ব্যবসা করা যায় না। অথচ মানুষের এই ধারণাটি একদম ভুল। কেননা কম টাকায় ব্যবসা করা সম্ভব। আজ আমি অল্প পুজিতে ব্যবসা করার কিছু আইডিয়া দিব ও কি ব্যবসা করা যায় এ সম্পর্কে বলব। ফলে খুব সহজেই ব্যবসা করতে পারবেন ।

অল্প পুজিতে ব্যবসা

Table of Contents

অল্প পুজিতে ব্যবসা ২০২২

আমি এখানে প্রায় ১২ টি উপায়ে বলব । এগুলো ফলো করলে আপনি খুব অল্প সময় সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছে যাবেন।

এর জন্য অবশ্যই আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে এবং মেধা ব্যবহার করতে হবে। কেননা এই দুইটি জিনিষ সফলতার চাবি-কাঠি ।

১. চায়ের দোকান 

অল্প পুঁজির ব্যবসা হলো চায়ের দোকান । এ ব্যবসা অনেক চাহিদা পূর্ণ । কেননা শতকরা 90% লোক চা খেতে পছন্দ করে। আমাদের দেশে অলিগলি থেকে শুরু করে প্রতিটি স্থানে চা এর দোকান রয়েছে।

প্রতিটি দোকানই প্রচুর পরিমাণ চা বিক্রি হয়। শহর হলে 24 ঘন্টাই চা বিক্রি হয়। আর গ্রাম হলে রাত বারোটা-একটা পর্যন্ত চা বিক্রি হয়।

বুঝা গেল চায়ের অনেক চাহিদা রয়েছে। অতএব আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন অল্প পুঁজি দিয়ে। এই ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে দুইটি বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।

১/ স্থান বা জায়গা । অর্থাৎ চা এর দোকান এমন একটি স্থানে স্থাপন করবেন বা বানাবেন যে স্থানে লোকজনের আনাগোনা বেশি এবং সব সময় লোকজন থাকে।

যেমন : শহর হলে বিভিন্ন নামকরা স্থান গুলিস্থান, বাইতুল মুকাররম, শাহবাগ ইত্যাদি। আর গ্রাম হলে বাজার ইত্যাদি।

২/ চায়ের স্বাদ তৈরি করা। অর্থাৎ এরকম মজা করে চা তৈরি করা যাতে করে লোকজন একবার খেলে দ্বিতীয়বার আবার খেতে চায়। এর জন্য চা এর মধ্যে বিভিন্ন ফ্লেভার দিতে পারেন। তাহলে অন্যরকম স্বাদ তৈরি হবে।

আপনি যদি এই দুটি বিষয় ফলো করেন তাহলে খুব দ্রুত চা-এর ব্যবসার মধ্যে সফলতা লাভ করতে পারবেন।

চা তৈরি করার জিনিসপত্র : 

  • চা তৈরি করার একটি মেশিন আর যদি হাতে বানান তাহলে মেশিন লাগবে না।
  • চা এর কাপ অথবা ওয়ান টাইম গ্লাস।
  • চা, চিনি, দুধ ইত্যাদি।

আরো পড়ুন :- 

২. অল্প পুজিতে ব্যবসা হলো বিভিন্ন রকম পোশাক তৈরি করে বিক্রি করা

আপনি ঘরে বসে অল্প টাকা খরচ করে বিভিন্ন ধরনের পোশাক তৈরি করতে পারেন। যেমন : থ্রি পিস , লুঙ্গি , শাড়ি, গামছা , পাঞ্জাবি ইত্যাদি।

এই ব্যবসায় লাভ অনেক বেশি এবং এ ব্যবসার চাহিদা অনেক বেশি। কেননা অধিকাংশ মানুষই হাতের তৈরি পোশাক পরতে পছন্দ করে।

অতএব আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন। আর এই কাজটি পুরো ফ্যামিলি মিলে করতে পারবে। অতএব আপনি যদি এ ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে আজই শুরু করে দিন।

৩. তাজা তাজা কাঁচামালের হোম ডেলিভারি

অল্প পুঁজির ব্যবসা হিসেবে এই চমৎকার ব্যবসাটি বেছে নিতে পারেন। এই ব্যবসাটি অনেক আনকমন।

এই ব্যবসায় কম্পিটিশন খুবই কম। তাই এই ব্যবসাটি করলে আপনি খুব সহজেই সফলতা লাভ করতে পারবেন।

কেননা বর্তমানে মানুষ তাজা তাজা শ্বাস-সবজি খেতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে শহরের লোকজন তাজা সবজি পছন্দ করে। আপনি এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন।

এই ব্যবসাটি করার নিয়ম :

  • সর্বপ্রথম আপনি একটি এরিয়াকে টার্গেট করবেন।
  • এরপর গ্রাহকদের সাথে সরাসরি কথা বলবেন।
  • তারপর তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিদিন গ্রাম অঞ্চল থেকে তাজা সবজি সংগ্রহ করবেন।
  • তারপর খুব সহজেই হোম ডেলিভারি দিবেন।

এই ব্যবসা করতে পুঁজি খুবই কম লাগবে। আর সফলতা খুব দ্রুত আসবে। আশা করি আপনি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

৪. কম পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা হলো ফুসকার ব্যবসা

এই চমৎকার ব্যবসাটি গ্রহণ করতে পারেন। ফুচকা এমন একটি চমৎকার খাবার যেটা ছোট থেকে বড় সকলেই পছন্দ করে।

ফুচকার চাহিদা কখনো কমবে না বরং ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে। অতএব আপনি অল্প পুঁজির ব্যবসা হিসেবে সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন।

এই ব্যবসা করার নিয়ম :

  • এই ব্যবসা করার জন্য অবশ্যই আপনাকে এমন একটি স্থান বেছে নিতে হবে যেখানে লোক সমাগম হয়। যেমন : স্কুল কলেজ , বাজার ঘাট , বাস স্ট্যান্ড , বড় বড় শোরুম ইত্যাদি এসব জায়গা বেছে নিতে হবে।
  • এরপর বিভিন্ন পাইকারি বাজার থেকে ফুচকা তৈরি করার সরঞ্জামি কিনে নিবেন। কেননা পাইকারি বাজারগুলোতে কম মূল্যে পণ্য পাওয়া যায়।
  • ফুচকা অবশ্যই ভালোভাবে তৈরি করতে হবে। এর জন্য আপনি বিভিন্ন পারদর্শী ব্যক্তিদের কাছ থেকে শিখতে পারেন। অথবা ইউটিউব থেকে শিখে নিতে পারেন। কেননা আপনার ফুচকা যত মজা হবে তত গ্রাহক বাড়তে থাকবে।

৫. অল্প পুজির ব্যবসা হলো মোবাইল রিচার্জ ও বিকাশের ব্যবসা

বর্তমানে এই ব্যবসাটার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। কেননা ছোট থেকে বড় প্রতিটা মানুষের হাতেই স্মার্টফোন রয়েছে।

যেহেতু মোবাইল রয়েছে তাহলে তো অবশ্যই রিচার্জ করে। বোঝা গেল রিচার্জের অনেক চাহিদা রয়েছে। রিচার্জের সাথে সাথে বিকাশের ব্যবসা করতে পারেন।

কারণ বর্তমানে অধিকাংশ মানুষই বিকাশের মাধ্যমে লেনদেন করে । অতএব আপনি রিচার্জের পাশাপাশি বিকাশের ব্যবসা করতে পারেন।

এ দুইটার সাথে মোবাইলের আরো নানান জিনিস দোকানে রাখতে পারেন। এ ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে :

সেটা হল দোকানের জায়গা এমন একটি স্থানে নির্ধারণ করা যেখানে লোক সমাগম হয়। গ্রামের ক্ষেত্রে বাজার। আর শহরে ক্ষেত্রে কোন নামকরা স্থান যেমন গুলিস্থান ইত্যাদি।

৬. অল্প টাকায় লাভজনক ব্যবসা হলো ঘরে খাবার তৈরি করে বিক্রি করা

অল্প পুজিতে ব্যবসা
অল্প পুজিতে ব্যবসা

এই ব্যবসায় অনেক চাহিদা রয়েছে। কেননা বিভিন্ন কারণে মানুষ ঘরে খাবার তৈরি করতে পারে না । তাই বাইরের খাবার খেতে হয় ।

বাইরের খাবারের ক্ষেত্রে অনেকেই হোটেলের খাবার পছন্দ করে না। ঘরোয়া পরিবেশের রান্না পছন্দ করে। অতএব আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন।

নানান আইটেমের খাবার তৈরি করে সরাসরি বিক্রি করতে পারেন অথবা অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন।

আর অনলাইনে বড় বড় কয়েকটি কোম্পানি রয়েছে যাদের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই বিক্রি করতে পারবেন। যেমন : 

ইত্যাদি এরকম অনেক কোম্পানি রয়েছে যাদের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ঘরে বসে খাবার বিক্রি করতে পারবেন।

এই ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে একটি কাজ করতে হবে। সেটা হল খাবার স্বাদ করে তৈরি করা।

আপনার খাবার যত স্বাদ হবে , মজা হবে , ভালো লাগবে মানুষ তত আপনার খাবারের প্রতি আগ্রহী হবে , বারবার আপনার খাবার খেতে চাইবে।তাই অবশ্যই স্বাদ করে খাবার তৈরি করতে হবে।

৭. কম পুজির ব্যবসা হলো কফি শপ তৈরি করে ব্যবসা।

আমাদের দেশে কফি অনেক জনপ্রিয়। ৬০ থেকে ৮০% লোকই কফি পছন্দ করে। ধীরে ধীরে কফির চাহিদা আমাদের দেশে বেড়েই চলছে।

অতএব আপনি একটি কফি শপ খুলে কফি বিক্রি করতে পারেন। কফি এর ব্যবসায় সফলতা লাভ করার জন্য অবশ্যই আপনাকে দুইটি বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।

১. ভালো একটি স্থান বা জায়গা নির্ধারণ করতে হবে। যে সমস্ত জায়গায় মানুষের সমাগম বেশি ঐ সমস্ত জায়গায় দোকান স্থাপন করতে হবে। শহরের ক্ষেত্রে নামকরা স্থান যেমন বাংলাবাজার , গুলিস্তান। আর গ্রামের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাজার , হাট ইত্যাদি।

২/ কফির স্বাদ তৈরি করা। অর্থাৎ এরকম মজা করে কফি তৈরি করা যাতে করে লোকজন একবার খেলে দ্বিতীয়বার আবার খেতে চায়।

কফি তৈরি করতে যে সমস্ত উপকরণ লাগে।

  • কফি তৈরি করার মেশিন অথবা হাত দিয়ে তৈরি করতে পারেন।
  • ওয়ান টাইম গ্লাস অথবা কাপ।
  • চিনি , কফি , দুধ ইত্যাদি
  • একটি চুলা তবে যদি কফি তৈরি করার মেশিন থাকে তাহলে চুলা লাগবেনা।

৮. অল্প পুজিতে লাভজনক ব্যবসা হলো ব্লগিং করে ব্যবসা

বর্তমানে অন্যতম একটি ব্যবসা। আপনি খুব সহজেই ব্লগিং করতে পারবেন। আর এখান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন।

হাজার হাজার মানুষ এই ব্লগিং থেকে ইনকাম হয়েছে। অতএব আপনি এই ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন। ব্লগিং করার জন্য অবশ্যই আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে ।

তারপর সেখানে বিভিন্ন আর্টিকেল দিবেন। আপনি এ ব্যাপারে যদি পারদর্শী না হন । তাহলে ইউটিউবে এ ব্যাপারে প্রচুর ভিডিও রয়েছে ।

সেগুলো ফলো করে অভিজ্ঞতা অর্জন করে নিবেন। এখানে সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে অভিজ্ঞ হতে হবে পাশাপাশি লেগে থাকতে হবে। তাহলে খুব সহজেই সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

৯. অল্প পুজিতে ব্যবসা হলো ফুলের দোকানের ব্যবসা

ফুলের ব্যবসা বর্তমানে অনেক চাহিদা পূর্ণ। দিন যত যাচ্ছে এই ব্যবসার চাহিদা তত বাড়ছে। তবে খুব কম লোকই এই ব্যবসা করে।

অতএব আপনি যদি এই ব্যবসা শুরু করেন তাহলে খুব দ্রুত সফলতা অর্জন করতে পারবেন। আর এই ব্যবসা শুরু করতে পুঁজি খুব কম লাগে।

যত ধরনের উৎসব হয় ঐ সমস্ত উৎসবে বিভিন্ন ধরনের ফুল রাখার চেষ্টা করবেন। কেননা উৎসবগুলোতে ফুলের বিক্রির পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই আপনাকে এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে হবে।

১০. নির্দিষ্ট কোন পণ্য নিয়ে ব্যবসাই হলো অল্প পুজিতে লাভজনক ব্যবসা বাংলাদেশ

অল্প পুজিতে ব্যবসা
অল্প পুজিতে ব্যবসা

বর্তমানে মানুষ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনো পণ্য বিক্রি করছে আর এভাবে তারা সফলতাও লাভ করছে এবং খুবই লাভবান হচ্ছে।

যেমন : মধুর ব্যবসা , কালোজিরার তেল , থ্রি পিস ইত্যাদি। এই ব্যবসা আপনি ফেসবুকের মাধ্যমে করতে পারেন।

ইচ্ছা করলো ফ্রিতে মার্কেটিং করতে পারেন অথবা পেইড মার্কেটিং করতে পারেন। তবে পেইড মার্কেটিং করলে দ্রুত সফলতা আসবে ।

এবং খুব সহজেই আপনি আপনার পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। এ ব্যবসা আপনি অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করতে পারবেন।

১১. অল্প পুজিতে লাভজনক ব্যবসা হলো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর ব্যবসা

এই ব্যবসার ও অনেক চাহিদা রয়েছে। জন্মদিন থেকে শুরু করে বিবাহ বার্ষিকী পর্যন্ত নানান ধরনের অনুষ্ঠান হয়।

আপনি এই সমস্ত অনুষ্ঠানের কাজের দায়িত্ব নিতে পারেন। বর্তমানে প্রতিটি মানুষই এসমস্ত অনুষ্ঠান করাতে চায়। এই হিসাবে এই কাজের অনেক চাহিদা রয়েছে। তাই সল্প পুজির ব্যবসা হিসেবে এই ব্যবসা করতে পারবেন ।

এই কাজ করার জন্য অবশ্যই আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে তাহলে আপনি দ্রুত সফলতা লাভ করতে পারবেন।

  • পুরিপূর্নভাবে মার্কেটিং করতে হবে। যাতে করে মানুষ ধারণা করে যে আপনি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করেন।
  • সুন্দরভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে হবে । যাতে করে কোনো ধরনের ত্রুটি বিচ্যুতি না ঘটে।
  • ছোট-বড় প্রত্যেকটি বিষয় খেয়াল রাখা।
  • ছোট থেকে বড় সবার সাথে ভালো ব্যবহার করা।

এই সমস্ত বিষয় ফলো করলে আপনি দ্রুত সফলতা লাভ করতে পারবেন।

১২. অল্প পুজিতে ব্যবসা হলো অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কোর্স বিক্রি করা

বর্তমানে এ ব্যবসার অনেক চাহিদা রয়েছে। দিন যত যাচ্ছে চাহিদা তত বাড়ছে। কেননা মানুষ ধীরে ধীরে অনলাইনের প্রতি বেশি ঝুঁকছে।

তাই চাহিদা বেড়েই চলছে। আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন। আপনি যে বিষয়ে অভিজ্ঞ ওই বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের লেকচার তৈরি করবেন।

তারপর বিভিন্ন ওয়েবসাইটে সেগুলোকে বিক্রি করতে পারেন। অথবা নিজে নিজেই বিক্রি করতে পারেন। কয়েকটি ওয়েবসাইটের নাম দিচ্ছি যেখানে আপনার লেকচার গুলো বিক্রি করতে পারবেন।

পরিশেষে বলব : উপরে অল্প পুজিতে ব্যবসা সম্পর্কে ১২টি আইডিয়া দিলাম। যদি আপনার ভালো লেগে থাকে এবং উপকারে আসে তাহলে জানাবেন ধন্যবাদ।।

আরো পড়ুন :-

অল্প পুজিতে কি কি ব্যবসা করা যায় ?

হ্যা করা যায় । কয়েকটি ব্যবসার নাম বলছি ।
১. ঘরে বিভিন্ন রকম পোশাক তৈরি করে বিক্রি করা ।
২. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর ব্যবসা ।
৩. ফুলের দোকানের ব্যবসা ।
৪. ব্লগিং করে ব্যবসা ।
৫. মোবাইল রিচার্জ ও বিকাশের ব্যবসা ।
ইত্যাদি আরো নানা রকম ব্যবসা করা যায় । আরো বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন ।

অল্প টাকায় কি ব্যবসা করা যায়

নানা রকম ব্যবসা করা যায় । যেমন :
১. চায়ের দোকান
২. ঘরে খাবার তৈরি করে বিক্রি করা
৩. কফি শপ তৈরি করে ব্যবসা।
৪. নির্দিষ্ট কোন পণ্য নিয়ে ব্যবসা
৫. অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কোর্স বিক্রি করা
ইত্যাদি আরো নানা রকম ব্যবসা করা যায় । আরো বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন ।

Leave a Comment