আপনি কি পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে জানতে চান ? বর্তমানে পাইকারি ব্যবসায় লাভ অনেক বেশি। তবে এ ব্যবসায় পুঁজি অনেক বেশি লাগে। যাদের পুঁজি রয়েছে তারা এই পাইকারি ব্যবসা আরম্ভ করতে পারেন।

কেননা এই ব্যবসার ক্ষেত্রে খুব দ্রুত সফলতা অর্জন করা সম্ভব এবং প্রচুর পরিমাণ লাভবান হওয়া সম্ভব। আজ আমি সবচেয়ে লাভজনক পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া তুলে ধরব। আশা করি এগুলো ফলো করলে আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

পাইকারি-ব্যবসার-আইডিয়া

পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া

পাইকারি ব্যবসা হল : যে পণ্যটা উৎপাদনকারীর কাছ থেকে ক্রয় করে তা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করা হয়। নিচে সবচেয়ে লাভজনক এবং নামকরা ১০টি পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া দিব।

১/ পাইকারি ধানের ব্যবসা

আমাদের দেশে ধানের অনেক চাহিদা রয়েছে। কারণ এই ধান থেকে চাল তৈরি হয়। আপনি পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে ধান ক্রয় করে তা বিক্রি করতে পারেন।

এজন্য আপনি গ্রামের বিভিন্ন হাট থেকে ধান ক্রয় করে তা বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানির কাছে বিক্রি করতে পারেন।

এই ব্যবসায় প্রচুর লাভ রয়েছে। আজকাল গ্রামের অনেক লোকেরাই এই ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে।

২/ পাইকারি চাউলের ব্যবসার আইডিয়া

আমাদের দেশে চাউলের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কারণ আমরা ভাত ছাড়া অন্য কিছু খেতে পারিনা।

অতএব আপনি চালের ব্যবসা করতে পারেন। এর জন্য আপনি বিভিন্ন কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনতে পারেন।

তারপর তা ভাঙ্গিয়ে চালে রূপান্তর করে পাইকারি হিসেবে বিভিন্ন দোকানদারদের কাছে বিক্রি করতে পারেন।

অথবা ইচ্ছে করলে খুচরা বিক্রি করতে পারেন। এ ব্যবসায় প্রচুর লাভবান হতে পারবেন।

৩/ পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া হল সরিষার ব্যবসা

আমাদের দেশে ধানের মত সরিষার চাহিদা অনেক বেশি। এই সরিষা খাওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে লাগে।

তাই এটার চাহিদা অনেক বেশি। আপনি সরিষা বিভিন্ন কৃষক বা হাট বাজার থেকে ক্রয় করতে পারেন ।

তারপর বড় বড় কোম্পানির কাছে বিক্রি করতে পারেন পাইকারি হিসেবে

অথবা ইচ্ছে করলে আপনি সরিষা ভাঙ্গিয়ে তেল বিক্রি করতে পারেন খুচরা হিসাবে আবার পাইকারি হিসেবেও। এই ব্যবসায় ও অনেক লাভ রয়েছে।

৪/ ভুট্টার ব্যবসা

ভুট্টার ব্যবসা ও অনেক লাভজনক। ইচ্ছে করলে আপনি হাট থেকে ভুট্টা কিনে তা বিভিন্ন কোম্পানির কাছে পাইকারি হিসেবে বিক্রি করতে পারেন। আমাদের দেশে ভুট্টার অনেক চাহিদা রয়েছে।

৫/ পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া হলো কাঁচামালের ব্যবসা করা

কাঁচামালের ব্যবসা অনেক লাভজনক। কাঁচামালের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে গ্রামের কাঁচামাল গুলো শহরে যায়। এই কারণে আপনি কাঁচামালের পাইকারি ব্যবসা করতে পারেন।

এ কাঁচামাল গুলো বিভিন্ন কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করে শহরের নামিদামি কোম্পানির কাছে বিক্রি করতে পারেন পাইকারি হিসেবে। সব সময় তাজামাল দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

কেননা শহরের লোক গুলো তাজা পছন্দ করে। তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি কিনতে। তাহলে দেখবেন আপনার ব্যবসা দ্বিগুণ গুনে বাড়তে থাকবে।

আপনার কাছ থেকে পণ্য কিনার চাহিদা মানুষের লেগে থাকবে। এর ফলে আপনি অল্প সময়ে সফলতা লাভ করবেন।

৬/ পাইকারি কাপড়ের ব্যবসা

বর্তমানে কাপড়ের ব্যবসা অনেক জাঁকজমক। আপনি বিভিন্ন তাঁতি

অথবা যে সমস্ত কোম্পানির পোশাক তৈরি করে তাদের কাছ থেকে পোশাক ক্রয় করতে পারেন

অথবা নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ,নবাবগঞ্জ ,চীন, ভারত, পাকিস্তান ইত্যাদি স্থান থেকে কাপড় ক্রয় করতে পারেন।

তারপর বড় বড় দোকানদারদের কাছে বিক্রি করতে পারেন।

অথবা বর্তমানে অনলাইনে কাপড় ব্যবসা প্রচুর হয়।

ইচ্ছে করলে আপনি তাদের সাথে কন্টাক্ট করে তাদের কাছে ঐ সমস্ত কাপড় বিক্রি করতে পারবেন।

কাপড়ের জন্য পুঁজি একটু বেশি লাগে 8 থেকে 10 লক্ষ টাকার মতো।

যে সমস্ত স্থানে পাইকারি কাপড় বিক্রি হয় আপনি ঐ সমস্ত স্থানে পাইকারি দোকান দিবেন। যেমন আমি একটা উদাহরন দিচ্ছি :

ঢাকা ইসলামপুর পাইকারি কাপড়ের জন্য বিখ্যাত। ইসলামপুর ব্যবসা করতে পারলে আপনার জন্য অনেক লাভজনক হবে।

কারণ এখানে বিভিন্ন স্থান থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা আসে। এটা ঢাকার জন্য।

আপনি আপনার এলাকায় যে সমস্ত স্থানে পাইকারি বিক্রি হয় সে সমস্ত স্থানে পাইকারি দোকান দিয়ে অনেক লাভ করতে পারেন।

পরিশেষে বলব : আমি এতক্ষণ পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে যা আলোচনা করলাম। ভালো লাগলে অবশ্যই জানাবেন। ধন্যবাদ।।

আরো পড়ুন :-

  1. অনলাইনে পণ্য বিক্রয় করে আয় করুন খুব সহজেই – ২০২১
  2. শেয়ার বাজার কিভাবে কাজ করে ?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

16 − eight =