গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া ১৮টি – ২০২২

আপনি কি জানতে চান গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া বা village business ideas সম্পর্কে ? তাহলে এই আর্টিকেলটা আপনার জন্য।

আমরা অনেকে ধারণা করে থাকি ব্যবসা একমাত্র শহরেই হয়ে থাকে। গ্রামে কোন ধরনের ব্যবসা হয় না। আসলে এটা ভুল ধারণা। আপনি গ্রামে বসে ছোট থেকে বড় ধরনের ব্যবসা করতে পারবেন।

বিশেষ করে অল্প টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন এবং অনেক মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। আজ আমি গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া দেবো। আশা করি আপনি লাভবান হবেন যদি এগুলো ফলো করেন।

গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া

Table of Contents

গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া

আমি এখানে ঐ সমস্ত ব্যবসার আইডিয়া দিব যেগুলো প্রসিদ্ধ এবং লাভ বেশি এবং খুব সহজেই ঝামেলা ছাড়া ব্যবসা করতে পারবেন। আমি ১৮ টি আইডিয়া দেবো ।

১. কাঁচামালের ব্যবসা

কাঁচামাল তথা তাজা সবজি এটা সকলের কাছে প্রিয়। অর্থাৎ গ্রামের লোক অথবা শহরের লোক হোক সকলে তাজা তাজা সবজি খেতে পছন্দ করে। এ পণ্যটি অনেক চাহিদা পূর্ণ। এর চাহিদা কমবে না কখনো। বরং এর চাহিদা দিনে দিনে বাড়তে থাকবে।

অতএব গ্রামে লাভজনক ব্যবসা হিসেবে কাঁচামালের ব্যবসা সবচেয়ে উপযুক্ত এবং লাভযুক্ত। কেননা গ্রামে কাঁচামাল উৎপাদন করা হয় এবং উৎপাদনের উপযুক্ত জায়গা হল গ্রাম।

আর কাঁচামাল বলতে আমরা বুঝি লাউ , টমেটো , বেগুন , মরিচ , মিষ্টি কুমড়া , দাঁড়া , লতি , কচুর মুখি , ঢেঁড়স , আলু , শাক । শাকের নানান ধরনের আইটেম রয়েছে যেমন লাল শাক , লাউ শাক , দারা শাক ইত্যাদি। এই প্রত্যেকটা জিনিসই কাঁচামাল হিসেবে গণ্য।

আপনি ইচ্ছা করলে গ্রামের কৃষকদের কাছ থেকে পাইকারি দরে কাঁচামাল ক্রয় করতে পারেন। তারপর শহরের বিভিন্ন কোম্পানি অথবা বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করতে পারেন।

কেননা শহরের অধিকাংশ কাঁচামাল গ্রাম থেকে যায়। আবার ইচ্ছা করলে আপনি গ্রামে বিক্রি করতে পারেন খুচরা হিসেবে। এটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

এই ব্যবসাটি আপনি অল্প পুঁজি তথা ৫০০০ থেকে ১০০০০ টাকা দিয়ে শুরু করতে পারবেন। তাই আপনি আজই এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

আরো পড়ুন :-

  1. অনলাইনে পণ্য বিক্রয় করে আয় করুন খুব সহজেই
  2. শেয়ার বাজার কিভাবে কাজ করে ?

২. গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে মুদি দোকানের ব্যবসা

এই ব্যবসা সম্পর্কে আমরা সকলেই অবগত। এই ব্যবসায় চাহিদা অনেক বেশি। কেননা প্রতিনিয়ত মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস লাগে।

আর এই মুদি দোকানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যায়। এই হিসেবে এই দোকানের চাহিদা অনেক বেশি। আপনি ইচ্ছে করলে অল্প পুঁজি দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

তবে অবশ্যই বিভিন্ন কৌশল খাটিয়ে ব্যবসা করবেন। তাহলে সফল হবেন। আরেকটি বিষয়ে বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন। সেটা হলো কাস্টমারকে বাকি দেওয়া।

অবশ্যই এ ব্যাপারে বিভিন্ন রকম কৌশল অবলম্বন করবেন অন্যথায় বাকি দিতে দিতে আপনার পুঁজি শেষ হয়ে যাবে। ফলে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। এরকম ঘটনা আমাদের সমাজে প্রচুর ঘটে।

আর মুদি দোকানের সাথে ফেক্সি লোড এবং বিকাশের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। এর দ্বারা আপনার ব্যবসা দ্বিগুণ বেড়ে যাবে।

৩. গ্রামে লাভজনক ব্যবসা হলো বিউটি পার্লারের ব্যবসা

 বিউটি পার্লার । প্রত্যেকটি মেয়ের শখ থাকে সে বিউটি পার্লার এ গিয়ে সাজবে। ফলে নিজেকে অনেক সুন্দর করে তুলবে। বিউটি পার্লারে গিয়ে সাজার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এর চাহিদা কখনো কমবে না। বরং ভবিষ্যতে আরো বাড়বে। অতএব আপনি এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন।

ঢাকা শহরের মত গ্রামের মেয়েরা বর্তমানে বিউটি পার্লারে সাজতে পছন্দ করে। বিশেষ করে বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং বিয়ে-শাদীতে। তাই গ্রামের মেয়েরা শহরে যায় সাজতে।

বর্তমানে এই বিউটি পার্লারের অনেক চাহিদা রয়েছে গ্রামের মধ্যে। যদি আপনি বিউটি পার্লারের ব্যবসা শুরু করতে পারেন তাহলে অনেক লাভ হবে।

এ ব্যবসায় পুঁজি বেশি লাগবে না। তাই গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে অল্প পুঁজি দিয়ে এ ব্যবসা খুব সহজেই শুরু করতে পারেন। এ ব্যবসা সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই দুইটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে।

  • এমন একটি স্থান বাছাই করবেন যেখানে লোক সমগম বেশি। সব সময় লোকজন যাতায়াত করে। পাশাপাশি যাতায়াত সুবিধা ভালো।খুব সহজেই আপনার কাছে পৌঁছতে পারে।
  • উন্নত মানের ও ট্রেনের প্রাপ্ত পাশাপাশি অভিজ্ঞ লোক দ্বারা বিউটি পার্লার পরিচালনা করবেন।

এই দুটি কাজ করলে খুব সহজেই অল্প সময় আপনি বিউটি পার্লার ব্যবসার ক্ষেত্রে সফলতা লাভ করতে পারবেন।

৪. মুরগি পালনের সাথে মাছের চাষ

মুরগির ফার্ম দিবেন। পাশাপাশি মাছ চাষ করবেন। এই দুনোটা জিনিসই অনেক চাহিদা পূর্ণ। এর চাহিদা দিনে দিনে বাড়ছে। কখনো কমবে না। মুরগির সাথে সাথে মাছ চাষ করবেন।

অর্থাৎ  সিস্টেমটা অনেক লাভজনক। যে পুকুরে মাছ চাষ করবেন সেই পুকুরে মুরগি পালন করবেন। এর ফলে মাছের আলাদা খাদ্য দিতে হবে না। মুরগির বিষ্ঠা থেকে মাছের খাবার হয়ে যাবে ।

এই কারণে আপনার খরচ অনেক কমে যাবে। এই সিস্টেমে মুরগির সাথে সাথে মাছের চাষ করলে আপনি অনেক লাভবান হতে পারবেন। বর্তমানে অনেকেই এই পদ্ধতিতে কাজ করছেন।

এই পদ্ধতিতে ব্যবসা করলে আপনার পুঁজি খুব কম লাগবে। তবে লাভবান হতে পারবে অনেক বেশি। তাই আপনি আজই এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

৫. কৃষি পণ্যের দোকান

 আমাদের দেশ হলো কৃষি নিয়ে বিখ্যাত। অর্থাৎ আমাদের দেশে গ্রামের অধিকাংশ লোকই কৃষি কাজ করে। তাদের কৃষি কাজের জন্য বিভিন্ন জিনিস প্রয়োজন হয়।

কৃষি পণ্য হিসেবে আমরা বুঝি সার , বীজ , কীটনাশক , কৃষি কাজের জন্য নানান ধরনের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি। কৃষি কাজ করার জন্য এ সমস্ত পণ্য অবশ্যই লাগবে। এই পণ্যগুলো চাহিদা পূর্ণ প্রত্যেকটি কৃষকের জন্য।

তাই আপনি এই সমস্ত পণ্য সামগ্রী নিয়ে একটি দোকান দিতে পারেন। এ ব্যবসা শুরু করতে পুঁজি হিসেবে মোটামুটি ৫০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন।

টাকার পরিমান আরো বেশি হলে ভালো হয়। অতএব আপনি গ্রামে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হিসেবে এই ব্যবসাটি বেছে নিতে পারেন।এই ব্যবসায় লাভ অনেক বেশি।

৬. বালি বিক্রি করতে পারেন

বালু। এটা অনেক চাহিদা পূর্ণ পণ্য। কেননা ঘর বাড়ি নির্মাণ করার সময় অবশ্যই এই বালুর প্রয়োজন পড়ে। বালু ছাড়া ঘরবাড়ি তৈরি করা যায় না। অতএব অবশ্যই বুঝতে পারছেন যে, এই বালু কতটুকু চাহিদা পূর্ণ ।

অতএব আপনি এই চাহিদা পূর্ণ ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। এ ব্যবসা শুরু করার জন্য কিছুটা ইনভেস্ট করতে হবে। তবে আপনি অল্প পুঁজি দিয়ে এ ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

আপনার আশেপাশে যদি নদী থাকে সেখান থেকে বালু তুলে তা বিক্রি করতে পারেন। এ ব্যবসায় লাভ অনেক বেশি।

৭.  চাউল  বিক্রি করা

চাউল এইটা অনেক চাহিদা পূর্ণ পণ্য। কেননা চাউল ছাড়া ভাত তৈরি হবে না। আর আমরা ভাত খেতে পছন্দ করি। তাহলে বুঝতে পারছেন চাউল কতটা চাহিদা পূর্ণ পণ্য। এর চাহিদা কখনো কমবে না। বরং ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে।

অতএব আপনি গ্রামে লাভজনক ব্যবসা হিসেবে এই চাহিদা পূর্ণ ব্যবসাটি করতে পারেন। এই ব্যবসাটি দুই ভাবে করতে পারেন। (1 ) আপনি কৃষকদের কাছ থেকে চাউল ক্রয় করতে পারেন পাইকারি হিসেবে। তারপর শহরের বড় বড় কোম্পানি অথবা বিভিন্ন পাইকারদের কাছে পাইকারি হিসেবে বিক্রি করতে পারেন।

এই ব্যবসায় লাভ অনেক বেশি। (2) আপনি নিজেও বিক্রি করতে পারেন খুচরা হিসাবে । আপনি অল্প পুঁজি দিয়ে এ ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

৮. সরিষা বিক্রি করা

সরিষা এটা অনেক উপকারী পণ্য। কেননা সরিষা দ্বারা নানান ধরনের জিনিস তৈরি হয়। যেমন : 

  • সরিষার তেল তৈরি হয়।
  • সরিষা দ্বারা কাসন্দ তৈরি করা যায়।
  • সরিষা দ্বারা ভর্তা তৈরি করা যায়। এটা ঠান্ডার জন্য অনেক উপকারী।

তবে আমাদের দেশের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় সরিষার তেল। মোটকথা সরিষা অনেক চাহিদা পূর্ণ পণ্য। এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে কখনো কমবে না। তাই আপনি কৃষি ব্যবসা আইডিয়া হিসেবে সরিষার ব্যবসা করতে পারেন।

আপনি ইচ্ছে করলে সরিষা গ্রামের কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করে তা পাইকারি হিসেবে বিক্রি করতে পারেন। এই ব্যবসায়  লাভ বেশি।অথবা নিজে সরিষা নিজে বপন করে তা পাইকারি বা খুচরা যে কোন একটি পদ্ধতিতে বিক্রি করতে পারেন ।

৯. বিকাশ ও মোবাইল লোড এবং মোবাইল ঠিক করার দোকান

মোবাইল ঠিক করার দোকান দিতে পারেন। এজন্য অবশ্যই আপনাকে আগে ট্রেনিং নিতে হবে মোবাইল ঠিক করা সম্পর্কে। এ ব্যবসায় অনেক চাহিদা। কেননা প্রত্যেকের হাতে বর্তমান সময় মোবাইল রয়েছে।

মোবাইল যেহেতু রয়েছে তো প্রবলেম হবেই। অতএব বুঝতে পারছেন এ ব্যবসায় চাহিদা কত। তাই আপনি একটি মোবাইল ঠিক করার দোকান দিতে পারেন। এর সাথে বিকাশ ও মোবাইল লোড এর ব্যবস্থা রাখতে পারেন।

অর্থাৎ ইচ্ছা করলে আপনি গ্রামে লাভজনক ব্যবসা হিসেবে এই তিনটা জিনিস একসাথে করতে পারেন। বর্তমানে সকলের কাছে মোবাইল আছে। তাই সবাই মোবাইল লোড করতে হয় আবার অনেকে বিকাশ করতে হয় । মোবাইল সমস্যা দেখা দিলে ঠিক করতে হয়।

এ সব নানান দিক লক্ষ্য করলে এই দোকানের অনেক চাহিদা রয়েছে এবং এই ব্যবসায় অনেক লাভ রয়েছে।

১০. গ্রামে অনলাইন ব্যবসা হলো মধু বিক্রি করা

মধু অনেক উপকারী পণ্য। মধুর উপকার বলে শেষ করা যাবে না। এর চাহিদা অনেক বেশি। দিনে দিনে মধুর চাহিদা অনেক বাড়ছে। তাই আপনি মধুর ব্যবসা করতে পারেন। মধুর ব্যপার সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে খাঁটি মধুর ব্যবসা করতে হবে।

এক্ষেত্রে ধোকা দেওয়া যাবে না। অন্যথায় আপনি সফল হতে পারবেন না এই ব্যবসায় । আপনি গ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে খাঁটি মধু সংগ্রহ করে তা শহর অথবা গ্রামের বিভিন্ন লোকদের কাছে বিক্রি করতে পারেন।

মধুর অনেক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে খাটি মধুর। অতএব আপনি এই ব্যবসা করতে পারেন। এই ব্যবসায় লাভ অনেক বেশি। পুজি বেশি লাগে না। অল্প টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। অনলাইনে এ ব্যবসা করতে পারেন 

১১.  ফার্মেসির ব্যবসা বা ওষুধের দোকান

গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া
গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া

অধিকাংশ মানুষেরই ওষুধের প্রয়োজন হয়। গ্রামের মানুষেরা ওষুধ আনতে শহরে যায়। গ্রামে ফার্মেসি থাকলেও ভালো ফার্মেসি থাকে না।

অর্থাৎ সব ওষুধ পাওয়া যায় না। তাই গ্রামে ভালো মানের ফার্মেসি অনেক প্রয়োজন এবং এটা চাহিদা অনেক বেশি।

অতএব আপনি ভালো মানের ফার্মেসি দিয়ে ব্যবসা করতে পারেন। আপনি ইচ্ছে করলে বিভিন্ন ডাক্তারদেরকে এনে চেম্বার খুলতে পারেন।

এর ফলে আপনার ব্যবসার প্রসিদ্ধিলাভ করবে। পাশাপাশি আপনার ঔষধ বিক্রি দ্বিগুণ বেড়ে যাবে। এ ব্যাপারে আরো বিস্তারিত জানতে নিচের এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।

আরো পড়ুন :- ফার্মেসি ব্যবসা

১২. গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া হলো পেঁপে চাষ করে ব্যবসা

বর্তমানে শহরের অধিকাংশ পেঁপে গ্রাম থেকে যায়। এই পেঁপে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের আইটেম  তৈরি করা হয়। তাই এই পেঁপের অনেক চাহিদা রয়েছে। আপনি পেঁপের ব্যবসা করতে পারেন।

এর জন্য আপনি পেঁপে চাষ করতে পারেন তারপর তা পাইকারি দরে বিভিন্ন লোকদের কাছে বিক্রি করে দিতে পারেন অথবা খুচরা করে বিক্রি করতে পারেন। এই ব্যবসায় লাভ অনেক বেশি।

১৩. গ্রামে বিজনেস আইডিয়া হলো ফাস্টফুডের দোকান দিয়ে ব্যবসা

শহরের মধ্যে প্রচুর ফাস্টফুডের দোকান পাওয়া যায়। যেখানে হরেক রকমের খাবার পাওয়া যায়।

এসমস্ত খাবার মানুষ খুব পছন্দ করে। যেমন বার্গার , পিৎজা ইত্যাদি। কিন্তু গ্রাম অঞ্চলে এসব দোকান খুঁজে পাওয়া যায় না।

আপনি যদি এ ব্যবসা শুরু করতে পারেন অবশ্যই লাভবান হবেন। কেননা এটা গ্রামবাসীদের জন্য ইউনিক এবং নতুন রকমের খাবারের দোকান। আপনি এই ব্যবসা গ্রামে করে অবশ্যই দ্রুত সফলতা লাভ করতে পারেন।

১৪. গ্রামে ছোট ব্যবসার আইডিয়া হলো টি-শার্ট প্রিন্টিং এর ব্যবসা

বর্তমানে অধিকাংশ মানুষই বিভিন্ন ডিজাইনের টি-শার্ট পরতে পছন্দ করে।  কেননা মানুষ ধীরে ধীরে আধুনিক হচ্ছে। সকলেই এরকম টি-শার্ট পড়তে ভালোবাসে।

এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। ভবিষ্যতে চাহিদা কখনো কমবে না। তাই আপনি ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। শহরে বিভিন্ন রকম দোকান পাওয়া যায় যে সমস্ত দোকানে টি শার্ট প্রিন্ট করা হয়।

আপনি ইচ্ছে করলে এরকম একটি মেশিন কিনে গ্রামেই টি শার্ট প্রিন্ট করে তা অধিক মূল্যে বিক্রি করতে পারেন। কেননা এই ব্যবসায় চাহিদা প্রচুর এবং লাভ অনেক।

এ ব্যবসা আপনি অল্প পুজিতে শুরু করতে পারেন। অর্থাৎ মোটামুটি ১৫-২০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন। তাই সময় নষ্ট না করে আজই এ ব্যবসা শুরু করে দিন।

১৫. লাইব্রেরির ব্যবসা

গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া

আরেকটি গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া হলো  : যারা লেখাপড়া করে তাদেরই বই-খাতার প্রয়োজন পড়ে। তারা বই কেনার জন্য  শহরে যায়।

আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন। অর্থাৎ তাদের চাহিদা অনুযায়ী বই এনে তা বিক্রি করতে পারেন।

আরেকটি বিষয় গ্রামে অনেক লাইব্রেরী থাকে তবে সেখানে সমস্ত বই পাওয়া যায় না। আপনি পরিপূর্ণ একটি লাইব্রেরী দিতে পারবেন যেখানে সমস্ত ধরনের বই থাকবে।

এই লাইব্রেরীর ব্যবসায় অনেক লাভ করতে পারবেন। এর চাহিদা অনেক বেশি। তাই দ্রুত সফলতা পারবেন।

১৬. গ্রামে বিজনেস আইডিয়া হলো থাই গ্লাসের ব্যবসা

গ্রামে বর্তমানে এই ব্যবসার চাহিদা অনেক বেশি। কেননা বর্তমানে গ্রাম শহরের মতন ডেভলপমেন্ট হচ্ছে। মানুষেরা বিল্ডিং দিয়েছে ।

নতুন নতুন ঘরবাড়ি তৈরি করছে। তারা বিভিন্ন জায়গায় থাই গ্লাস ব্যবহার করছে। তাই এই ব্যবসায় চাহিদা অনেক বেশি। আপনি এই ব্যবসা লাভজনক হিসেবে করতে পারেন খুব সহজেই। অনলাইনে এ ব্যবসা করতে পারেন । আবার সরাসরি করতে পারেন ।

১৭. গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া হলো কোয়েল পাখির ব্যবসা

কোয়েল পাখি এটা জনপ্রিয় একটি পাখি । কোয়েল পাখির ডিম এবং গোশত খেতে অধিকাংশ মানুষ বর্তমানে পছন্দ করে। বর্তমানে কোয়েল পাখির ব্যবসা করে প্রচুর লাভ করতে পারবেন। কেননা কোয়েল পাখির ডিম এবং গোশতের  প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

আরেকটি বিষয় কোয়েল পাখি অল্প সময়ে ডিম দেয়া শুরু করে । যার কারণে দ্রুত সফলতা অর্জন করা সম্ভব। এ ব্যবসা আপনি অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করতে পারবেন খুব সহজে।

 ১৮. রড সিমেন্টের ব্যবসা

বর্তমানে এ ব্যবসার অনেক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে গ্রামে। কেননা বর্তমানে গ্রাম শহরের মত ডেভলপমেন্ট হচ্ছে।

প্রচুর ঘরবাড়ি হচ্ছে। বিল্ডিং হচ্ছে। তাই রড সিমেন্টের চাহিদা প্রচুর। আপনি এই ব্যবসাটি লাভজনক হিসেবে করতে পারেন। এই ব্যবসা আপনি 10 লাখ টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন খুব সহজে।

পরিশেষে বলব : আমি এতক্ষণ গ্রামে ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে যা আলোচনা করলাম। ভালো লাগলে জানাবেন। ধন্যবাদ।।

গ্রামে লাভজনক ব্যবসা কোনটি ?

অনেক ব্যবসা রয়েছে লাভজনক। কয়েকটি ব্যবসার নাম দেওয়া হল:
১. কাঁচামালের ব্যবসা ।
২. বিউটি পার্লারের ব্যবসা ।
৩. মুরগি পালনের সাথে মাছ চাষের ব্যবসা ।
৪. চাউলের ব্যবসা ।
৫. কৃষি পণ্যের ব্যবসা।

Leave a Comment