১০টি সেরা লাভজনক পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া ২০২৩

আপনি কি পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে জানতে চান ? তাহলে আপনি সঠিক স্থানে এসেছেন। এই লেখাটি শুধু আপনার জন্য।

বর্তমান আমাদের দেশে বেকারত্ব একটি বড় কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষিত বা অশিক্ষিত প্রায় অধিকাংশই ঘুরপাক খাচ্ছে বেকারত্ব নামেরই জালে ।

চাকরির কথা বাদই দিলাম।  কেননা, বেকারত্বের এই সমাজে চাকরি তো স্বর্ণের পুতুলের চেয়েও দুর্লভ বিষয় হয়ে গেছে।

এজন্য অনেকে ব্যবসার দিকে ধাবিত হচ্ছে। আবার অনেকে ব্যবসার দিকে ধাবিত হতে চান, কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে মূলধন না থাকার কারণে বড় ধরনের কোন ব্যবসা শুরু করতে পারছেন না। সে জন্য হীনমন্যতায় ভুগছেন। 

সবার জন্য খুশির খবর হলো বর্তমানে এমন কিছু ব্যবসা রয়েছে যেগুলো অল্প পুজি দিয়ে শুরু করা সম্ভব । এগুলো ব্যবসা করার জন্য ফুল সময় দিতে হবে না । বরং পার্ট টাইম সময় দিলেই হবে ।

তাই আজ আমি আপনাদের সুবিধার্থে পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।

পাশাপাশি ব্যবসা করার জন্য কি কি বিষয়ের লক্ষ্য রাখতে হবে সে বিষয়গুলো আলোচনা করব।

যাতে করে আপনি কোনক্রমে-ই ক্ষতির সম্মুখীন না হন। অতএব আপনাকে সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে হবে।

তাহলে আপনি পরিপূর্ণ ধারণা পেয়ে যাবেন এবংসমস্ত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন । চলুন আলোচনা শুরু করা যাক।

পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া

পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া ২০২৩

আমি আপনাদের সুবিধার্থে এখানে এমন ১০টি ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করব যে ব্যবসার মধ্যে কোন রিস্ক নাই বরং অনেক লাভ রয়েছে । আর এই ব্যবসাগুলো পার্ট টাইমে করতে পারবেন ।

যদি আপনি সময় দেন এবং পরিশ্রম করেন তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছে যাবেন।

১. পাখি পালন করা ।

পাখি পালন ব্যবসা কেউ কেউ “পাখি চাষ” বা “পাখি প্রকৃতি” বলেন। এটি একটি প্রাকৃতিক বা কৃষি উপকরণ ব্যবসা যেখানে মুরগি,, টর্কি, গবাদি,কোয়েল পাখি ইত্যাদি পাখির চাষ ও পালন করা হয়।

এই প্রকার পাখি পালন ব্যবসা বিভিন্ন ধরণের মাংস, ডিম, ও অন্যান্য উপকরণের জন্য বাজারে সরবরাহ করে এবং আয় উপার্জন করে।

প্রাথমিকভাবে পাখি পালন ব্যবসা শুরু করতে নিম্নলিখিত কিছু প্রধান জিনিস প্রয়োজন:

  • পাখির নির্বাচন: প্রথমে আপনার পাখি পালন ব্যবসার জন্য পাখির প্রজাতি বাছাই করতে হবে। সাধারণভাবে, মুরগি বা পাখি বেশি জনপ্রিয়। পাখির স্বাস্থ্যকর এবং প্রদর্শন করে সঠিক সান্নিধ্য প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ।
  • গৃহঃ একটি প্রাথমিক পাখি গৃহ তৈরি করতে হবে, যেখানে পাখিরা সুরক্ষিত থাকতে পারে এবং সঠিক সাবধানিতে রাখা যায়।
  • খাবার : পাখিরা স্বাস্থ্য এবং পোষণের জন্য সঠিক খাবার প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাখিরা মূলত দান-কাঠি, মাংস, ও যেমন গবেষণা সান্ন্যান্ধ প্রজাতি খাবার দরকার পেতে পারে।
  • পানি: পাখিরা পর্যাপ্ত পানি প্রদান করতে হবে, যেখানে পানির বিশেষ নির্দেশনা মেলে তা অনুসরণ করতে হবে।
  • পাখির স্বাস্থ্য যত্ন: পাখির স্বাস্থ্য মনিটর করতে হবে। এটির জন্য পোষণের মত স্বাস্থ্যকর খাবার, স্বচ্ছ পানি, সুষ্ঠ সান্নিধ্য দিতে হবে ।
  • জরিপ: পাখি পালন ব্যবসার জন্য দক্ষ ও পর্যাপ্ত জ্ঞান প্রয়োজন। আপনি পাখির স্বাস্থ্যকর প্রজাতির পাখি চাষ করতে শেখতে পারেন অথবা পাখি পালন ব্যবসা সম্পর্কে ট্রেনিং প্রাপ্ত করতে পারেন।

এই প্রাথমিক ধাপগুলি অনুসরণ করে পাখি পালন ব্যবসা শুরু করতে পারেন। পরবর্তীতে, আপনি আপনার ব্যবসা প্রসারিত করতে এবং সাফল্য অর্জন করতে আরও উন্নত প্রশিক্ষণ এবং ব্যবসা পরিচালনার সুদৃঢ ক্ষমতা অর্জন করতে পারেন।

আরো পড়ুন : সঠিক পদ্ধতিতে মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা করার নিয়ম

২. মেহেদী আর্টিস্ট হওয়া ।

পার্ট টাইম ব্যবসা আইডিয়া হলো মেহেদী আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করা । মেহেদী আর্টিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যে মেহেদীর ডিজাইন বা মেহেদী প্রযুক্তির মাধ্যমে মেহেদীর চোখের সৌন্দর্য বাড়াতে পারে এবং মেহেদী ডিজাইন করতে পারে।

মেহেদী আর্টিস্টরা সাধারণভাবে বিশেষজ্ঞ হন মেহেদী ডিজাইনে এবং মেহেদী একটি সুন্দর রঙ্গের রাঙ্গুলি তৈরি করতে পারে।

তাদের কাজের জন্য মেহেদী ডিজাইন, স্টেন্সিল, হাতের শখ, এবং সুন্দর রঙের মেহেদী প্রযুক্তি প্রয়োজন হতে পারে।

মেহেদী আর্টিস্টরা সাধারণভাবে বিবাহ, ঈদ, পূজা, বিশেষ অনুষ্ঠান, বা অন্যান্য উপলক্ষে মেহেদী ডিজাইন করে থাকেন যাতে লোকদের হাতে এবং পা একটি সুন্দর মেহেদী দেখানো যায়।

মেহেদী আর্টিস্ট পার্ট-টাইম ব্যবসা শুরু করতে নিম্নলিখিত প্রাথমিক পদক্ষেপগুলি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ:

  • যোগ্যতা এবং দক্ষতা অর্জন: প্রাথমিক ট্রেনিং প্রাপ্ত করার জন্য মেহেদী আর্টিস্টি হওয়া জরুরি নয়, তবে আপনি মেহেদী ডিজাইনের দক্ষতা এবং চর্চা করতে হবে। আপনি ওয়েবসাইটে, বই, ভিডিও টিউটোরিয়াল, অথবা স্থানীয় কোর্সে মেহেদী আর্ট শেখার স্বাধীনভাবে সম্প্রসারণ করতে পারেন।
  • আপনার সরঞ্জাম এবং উপাদান সংগ্রহ করুন: মেহেদী ডিজাইনের জন্য আপনি মেহেদী, হেনা, মেহেদী স্টেন্সিল, ছিটানো মেহেদীর বোতল, ছড়ানো উপাদান, এবং অন্যান্য ডিজাইন টুলস নিতে পারেন।
  • ব্যবসার নাম এবং লোগো ডিজাইন করুন: আপনি যদি ব্যবসার নাম এবং লোগো থাকে, তাহলে এটি গ্রাহকদের আপনার ব্র্যান্ডের সাথে সম্পর্কিত করতে সাহায্য করতে পারে।
  • ডিজাইন স্পেশালিস্ট হওয়া: আপনি চাইলে আপনার কাজে স্পেশালাইজ হতে পারেন, উদাহরণস্বরূপ, বিবাহের অনুষ্ঠানের জন্য মেহেদী ডিজাইন করতে পারেন অথবা বিভিন্ন ধরণের মেহেদী ডিজাইনে দক্ষ হতে পারেন।
  • অনলাইন উপস্থিতি তৈরি করুন: আপনি একটি সোশ্যাল মিডিয়া পেজ তৈরি করে আপনার মেহেদী আর্ট পরিচালনা করতে পারেন। ইন্টারনেটে প্রশংসিত হওয়া আপনার সম্প্রসারণের জন্য সাহায্য করতে পারে।

৩. মৎস চাষ এর পার্ট টাইম ব্যবসা করতে পারেন।

মৎস চাষ একটি উপজেলা বা গ্রামীণ এলাকায় একটি প্রাথমিক ব্যবসা হতে পারে।কম সময় ব্যয় করে আপনি এই ব্যবসা করতে পারবেন । মৎস চাষে সাফল্যের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিম্নলিখিত:

  1. ভূমি এবং স্থান নির্ধারণ: প্রথমে আপনার মৎস চাষ ব্যবসা সাথে যে ভূমি আপনার আছে তা নির্ধারণ করুন। মৎস চাষের জন্য উপযুক্ত স্থানে সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা করুন।
  2. মৎস চাষের প্রকৃতি নির্ধারণ করুন: মৎস চাষে আপনি কোন প্রকৃতির মৎস চান, তা নির্ধারণ করুন।
  3. উপকরণ এবং সরঞ্জাম নির্ধারণ করুন: মৎস চাষের জন্য আপনি উপকরণ এবং সরঞ্জাম (যেমন পোনা, জাল, বোট,মৎস খাবার) নিতে পারেন।
  4. মাছ চাষের প্রক্রিয়া শেখা: মৎস চাষের জন্য দক্ষতা অর্জন করতে হবে । এই জন্য আপনি কোর্স করতে পারেন বা অভিজ্ঞ কোন লোকের কাছ থেকে মৎস চাষ শিখতে পারেন।
  5. ব্যবসা পরিকল্পনা তৈরি করুন: মৎস চাষ ব্যবসা চালানোর জন্য একটি ব্যবসা পরিকল্পনা তৈরি করুন যেখানে আপনি চাষের প্রক্রিয়া, ব্যবসা সার্বজনিকতা, ব্যবসার মান এবং লাভ, ব্যবসা উন্নতি এবং অন্যান্য ব্যবসা বিষয়গুলি বিবেচনা করা হয়।
  6. ব্যবসার শুরু: সব প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং সরঞ্জাম নিয়ে মৎস চাষ ব্যবসা শুরু করুন। সম্প্রসারণ, মৎস চাষের প্রক্রিয়া এবং ব্যবসা বাড়ানোর পরিকল্পনা করুন।
  7. ব্যবসা পরিচালনা এবং পর্যবেক্ষণ করুন: ব্যবসার প্রক্রিয়া ও দৈনন্দিন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় মৎস চাষের প্রক্রিয়া এবং ব্যবসা উন্নতি এবং সার্বজনিকতা নিশ্চিত করতে পারেন।
  8. ব্যবসা বাড়ানো: ব্যবসা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

মৎস চাষের ব্যবসা প্রত্যেকের জন্য উপযুক্ত। উপরে উল্লিখিত পদক্ষেপগুলি সাফল্যের দিকে একটি উত্তরণ দিতে পারে।

৪. টি শার্ট বিক্রি করে পার্ট টাইম ব্যবসা করতে পারেন ।

টি শার্ট ব্যবসা পার্ট-টাইমে করা যেতে পারে, তবে এটি সফলভাবে চালানোর জন্য সঠিক পরিকল্পনা, দক্ষতা এবং সমর্থন প্রয়োজন।

টি শার্ট একটি জনপ্রিয় ফ্যাশন আইটেম এবং এই ব্যবসার প্রস্তাবিত দরপ্রয়োজনে নিম্নলিখিত ধরণের সামগ্রীর সাথে সম্পর্কিত হতে পারে:

  1. পণ্য: শুরু করতে আপনি টি শার্ট তৈরি করতে পারেন বা প্রস্তুতকৃত টি শার্ট সরবরাহ করতে পারেন। আপনি নিজে ডিজাইন করতে পারেন অথবা ডিজাইনারদের সাথে সহযোগিতা করতে পারেন।
  2. সঠিক পরিকল্পনা, ডিজাইন দক্ষতা, মার্কেটিং স্ট্রাটেজি, এবং গ্রাহক সেবা সম্পর্কে ভাল জ্ঞান অর্জন করতে হবে ।

টি শার্ট ব্যবসা পার্ট-টাইমে সাফলভাবে করতে পারবেন ।

৫. ইভেন্ট প্ল্যানারের ব্যবসা ।

ইভেন্ট প্লানার বলতে যারা জন্মদিন , পার্টি ,  বিয়ের অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে সাজানো থেকে শুরু করে নানান  কাজ করে থাকে।

এই ব্যবসা বর্তমানে অনেক চাহিদা পূর্ণ একটি ব্যবসা। কেননা বর্তমানে প্রতিটা অনুষ্ঠানে সবাই সাজাতে পছন্দ করে। এজন্য তারা ইভেন্ট প্লানারদেরকে ডেকে থাকে।

ইভেন্ট প্লানার ব্যবসা করার নিয়ম

  • দক্ষ কয়েকজন লোক লাগবে যারা সমস্ত কাজ ব্যবস্থাপনা করবেন।
  • ডেকোরেশন করার জন্য বিভিন্ন আসবাবপত্র লাগবে।
  • মোটামুটি ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মত পুঁজি লাগবে।
  • সব সময় ইউনিক ভাবে সাজানোর জন্য চেষ্টা করবেন।
  • প্রচার প্রসার করার জন্য মার্কেটিং করতে পারেন।

এই সমস্ত জিনিস যদি আপনি ব্যবস্থা করতে পারেন তাহলে খুব সহজেই ইভেন্ট প্লানার ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন। আশা করি আপনি ভালভাবে বুঝতে পেরেছেন।

৬. ফুটপাতে ব্যবসা করতে পারেন।

শহরের  ফুটপাত গুলোতে খুবই ভালোভাবে ব্যবসা চলে। ফুটপাতের ব্যবসা অনেক লাভজনক পাশাপাশি চাহিদা পূর্ণ। কেননা বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ ফুটপাত থেকে বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্রয় করে থাকে।

ফুটপাতের ব্যবসা করার নিয়ম

  • সর্বপ্রথম আপনাকে মার্কেট গবেষণা করতে হবে। অর্থাৎ দেখতে হবে কোন ধরনের পন্যের চাহিদা বেশি। কয়েকটি প্রচলিত ব্যবসা হল : কসমেটিক্স পণ্য বিক্রয় , ঝাল মুড়ি , বাচ্চাদের কাপড়-চোপড় , ফুচকা , বিভিন্ন রকমের পিঠা ,   চটপটি ইত্যাদি।
  • এমন একটি স্থান নির্বাচন করবেন যেখানে লোক সমগম বেশি হয়।
  • ভালো মানের প্রোডাক্ট বিক্রি করার চেষ্টা করবেন। তাহলে আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি পাবে।
  • গ্রাহকদের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে।

এ সমস্ত বিষয় ফলো করে খুব সহজেই এই ব্যবসাটি শুরু  করতে পারেন।

ফুটপাতের ব্যবসার সুবিধা

  • দোকান ভাড়া থেকে বাঁচা যায়। কেননা শহরে দোকান ভাড়া অনেক হয়ে থাকে।
  • যেখানে মন চায় সেখানে যেয়ে বিক্রি করা যায়।
  • গ্রাহক বেশি পাওয়া যায়। ইত্যাদি এরকম অনেক সুবিধা  রয়েছে।

৭.ফ্রিল্যান্সিং এর ব্যবসা করতে পারেন।

বর্তমান সময়ে খুবই চমৎকার একটি ব্যবসা। এই ব্যবসা করে খুবই দ্রুত সফলতা লাভ করতে পারবেন।

বর্তমানে হাজার হাজার লোক এই ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হচ্ছে। আপনিও পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং ব্যবসা করার নিয়ম

  • আপনাকে যে কোন বিষয়ের উপর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। যেমন : ভিডিও এডিটিং , ডিজিটাল মার্কেটিং , এসইও , গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি এরকম কাজের মধ্যে থেকে যেকোনো একটি কাজের পর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে।
  • বর্তমানে প্রতিযোগিতার যুগ। এজন্য অবশ্যই আপনাকে আলাদা এক ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।
  • কাজের উপর অভিজ্ঞতা হয়ে গেলে ফাইবার , আপ ওয়ার্ক এর মত বড় বড় মার্কেটপ্লেসে খুব সহজে কাজ পেয়ে যাবেন।
  • যদি আপনি ভালোভাবে করেন। তাহলে প্রতিমাসে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আশা করি আপনি বিষয়গুলো বুঝতে পেরেছেন। তাই দেরি না করে আজই এই ব্যবসাটি শুরু করে দিন।

৮. এফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবসা করতে পারেন।

মার্কেটিং বর্তমানে পার্ট টাইম ব্যবসা মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি ব্যবসা। এ ব্যবসা করে খুবই সহজে সফলতা লাভ করতে পারবেন।

শুধু আপনার মার্কেটিং এর উপর অভিজ্ঞতা লাগবে। এজন্য আপনি ইউটিউব অথবা ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই ফ্রিতে শিখে নিতে পারবেন। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন।

৯ সবজি চাষের ব্যবসা করতে পারেন।

এই ব্যবসাটি খুবই চাহিদা পূর্ণ ব্যবসা। কেননা বর্তমানে সবাই তাজা তাজা সবজি খেতে পছন্দ করে।

এজন্য আপনাকে প্রতিদিন অল্প সময় দিলেই তাজা তাজা সবজি তৈরি করতে পারবেন।

এই ব্যবসা করার নিয়ম

  • যারা অভিজ্ঞ তাদের কাছ থেকে শিখে নিবেন।
  • সবজি চাষ করার জন্য জমিন প্রয়োজন। এজন্য আপনাকে একটি জমিনের ব্যবস্থা করতে হবে।
  • এরপর চাহিদা পূর্ণ সবজিগুলো তৈরি করতে হবে।

আশা করি আপনি ভালভাবে বুঝতে পেরেছেন।

১০. রিসাইকেল ব্যবসা করতে পারেন।

অর্থাৎ পুরাতন জিনিস ক্রয় করে তা মডিফাই করে আবার বিক্রি করা। এই ব্যবসাটি বর্তমানে অনেক প্রসিদ্ধ  হয়েছে।

আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এ ব্যবসাটি পরিচালনা করতে পারেন । বর্তমানে অনেকেই এরকম পদ্ধতি গ্রহণ করছে। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন।

পরিশেষে বলবো:

উপরে পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা  করলাম। অতএব আপনি যদি এই ব্যবসাগুলো করতে চান ।

তাহলে আপনি ব্যবসা শুরু করে দিবেন উপরের পদ্ধতি অনুযায়ী। লেখা ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই জানাবেন। ধন্যবাদ।

FAQ

পার্ট টাইম ব্যবসা কি ?

পার্ট-টাইম ব্যবসা হলো এমন একটি ব্যবসা যেখানে একজন ব্যক্তি কোনও নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবসায়িক কাজ সাধারণভাবে করে থাকেন । অর্থাৎ কোন কাজের পাশাপাশি ব্যবসা করা ।

পার টাইম ব্যবসার সুবিধা কি কি ?

অনেক সুবিধা রয়েছে কয়েকটি সুবিধা হল :
১. পার্ট টাইম ব্যবসা করে এক্সট্রা ইনকাম করতে পারবেন।
২. স্টুডেন্ট হয়েও পার্টটাইম ব্যবসা করতে পারবেন।
৩. নিজের চাহিদা পূর্ণ করতে পারবেন।
৪. চাকরিজীবী হয়েও এই পার্টটাইম ব্যবসা করতে পারেন।
এরকম অনেক সুবিধা রয়েছে। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন ।

পার্টটাইম ব্যবসা করে কি  লাভবান হওয়া যায় ?

হ্যাঁ অবশ্যই পার্ট টাইম ব্যবসা করে অনেক লাভবান হতে পারবেন। এজন্য অবশ্য আপনাকে চাহিদাপূর্ণ পণ্য টার্গেট করতে হবে। এরপর বিক্রি করতে হবে। এভাবে খুব সহজেই সফলতা লাভ করতে পারবেন।

I always like to learn new things and spread them. Therefore, my main goal is to highlight various new topics related to online business, online income, blogging and information technology.

Leave a Comment